আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যত। সুতরাং শিশুদের সঠিক দিক নির্দেশনা দিয়ে সত্যিকারের মানুষ গড়ার দায়িত্ব আপনার-আমার সকলের। আমাদের যথোপযুক্ত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই আমরা পেতে পারি একটি সুন্দর উত্তর প্রজন্ম। পৃথিবীর অন্য হাজারো প্রজাতির মত যেমন আমাদের দায়িত্ব রয়েছে প্রজননের মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্ম রেখে যাওয়া, তেমনই মানুষ হিসেবে পরবর্তী প্রজন্মকে যুগোপযুক্ত মানুষ করে গড়ে তোলার দায়িত্বটা একান্তই আবশ্যকীয়, যে দায় মানুষ ভিন্ন অন্য কোন প্রজাতির নেই। অবশ্য প্রত্যেক প্রজাতিই তার উত্তর প্রজন্মকে প্রতিযোগীতায় টিকে থাকার জন্য যা যা শেখানো দরকার তা প্রজাতি- শিশুটিকে শিখিয়ে যায়। তেমনি মানুষ হিসেবে পৃথিবীতে আমাদের দায়িত্ব রয়েছে উত্তর প্রজন্মকে প্রতিযোগীতায় টিকে থাকার জন্য যথোপযুক্ত শিক্ষা দিয়ে উপযুক্ত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। পৃথিবীতে যে হারে মানুষ বাড়ছে তাতে মানুষের মধ্যে দিন দিন অন্তঃপ্রজাতি প্রতিযোগীতা বাড়তেই থাকবে। জ্ঞান-বিজ্ঞানে আমরা এমনিতেই অনেক পিছিয়ে আছি এবং দিন দিন উন্নত বিশ্বের সাথে সে বৈষম্য আরো বাড়ছে। তাই শিক্ষা এবং উপযুক্ত শিক্ষাই হওয়া উচিত আমাদের প্রতিযোগীতায় টিকে থাকার সবচেয়ে বড় অস্ত্র। পার্শ্ববতী দেশ ভারতও যেখানে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের মেধা বিক্রি করে অনেক আয় করছে সেখানে আমরা কেবলই শ্রম বিক্রি করছি, যারা তুলনামূলক অনেক কম আয় করে। দূর্বল পররাষ্ট্রনীতির জন্য তাও হোচট খায় মাঝে মাঝেই।

আমরা যারা ইন্টারনেটে ফেসবুক, ব্লগ ব্যবহার করি তাদের মধ্যে আমার মত দু’চারজন ইতোমধ্যেই বাবা বা মা হয়ে থাকলেও বেশিরভাগ ব্লগারই বাবা-মা হওয়ার অপেক্ষায়। একজন বাবা/মা হিসেবে আপনাকে পালন করতে হবে অনেক দায়িত্ব। আপনার সন্তানটির পাঠোভ্যাস গড়ে তুলতে আপনি কী করবেন তা নিয়েই আজকের পোস্ট। পুরোটাই আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। আপনাদের সন্তানদের ক্ষেত্রেও কাজ দিবে বলেই আমি আশা করি।

আপনার সন্তানটি যখন থেকে কথা বলতে শুরু করবে তখন থেকেই আপনার এ দায়িত্ব শুরু হয়ে যাবে। দু’একটি ব্যতিক্রম ছাড়া বেশিরভাগ শিশুই মা শব্দটি দিয়ে প্রথম অর্থপূর্ণ শব্দের উচ্চারণ শুরু করে। বাবা, দাদা ইত্যাদি শব্দের সাথে শিশুরা আরেকটি অর্থপূর্ণ শব্দ বলতে শেখে সেটা হল ‘কী’। অল্পদিনের মধ্যেই দেখা যায় শিশুটি অন্য যেকোন শব্দের চেয়ে এই ‘কী’ শব্দটিই বেশি ব্যবহার করছে। কারণ চারপাশের সবকিছুই শিশুর জন্য রাজ্যের বিস্ময় হয়ে দাঁড়ায়। তাই ‘এটা কী, ওটা কী’ প্রশ্ন করে সে জানতে চায় এবং পরিচিত হতে চায় তার আশেপাশের জগত সম্পর্কে। এসময় আপনাকে যে কাজটি করতে হবে তা হল শিশুটির এই ক্রমাগত ‘কী’ এর উত্তর দেয়া। যদি কোন শিশু ‘কী’ প্রশ্নটি করতে না শেখে তাকেও আঙুলের মাধ্যমে দিক নির্দেশনা দিয়ে শিখিয়ে দিতে হবে এটা চেয়ার, এটা গাছ, ওটা পাখি ইত্যাদি। এ কাজটি আপনি একেবারে শিশুবেলায়ই শুরু করতে পারেন; যেমন- বাবা/মামনি, দেখ এটা ফুল, এটা পুতুল, ওটা ঘড়ি ইত্যাদি। যে কাজটি আপনি কখনো করবেন না তাহল শিশুকে এ ধরণের প্রশ্নে কখনো কোন ভাবে রাগ করা বা ধমক দেয়া। শিশুরা তার কোন প্রশ্নে উত্তরের পরিবর্তে ধমক পেলে বা চোখ রাঙানী পেলে আশাহত হয় এবং তার ভিতরে নতুন প্রশ্নেচ্ছাকে দমিয়ে রাখে, যা তার মানসিক বিকাশে খুবই প্রতিক’ল হতে পারে এবং হয়ও।

এরপরই আপনি আপনার সন্তানের জন্য কিছু ছবিসমৃদ্ধ বই কিনে দিবেন। শিশুদের বইগুলো রঙিন হয় যা তাকে খুবই আকৃষ্ট করে। বইয়ের ছবি দেখিয়ে দেখিয়ে আপনি শিশুটিকে বিভিন্ন পশু-পাখি-ফল-মাছ ইত্যাদির সাথে পরিচয় করে দিবেন। ধরুন, আপনি শিশুটিকে বইতে কবুতর দেখালেন, এরপর বাইরে সত্যিকারের কবুতর দেখতে পেলে ঐটি দেখিয়ে তার কাছে জানতে চাইবেন, ‘বলতো বাবু, এটা কী?’ সে বলতে না পারলে তাকে মনে করিয়ে দিবেন যে তোমার বইয়ে এই ছবিটা তো আছে। দেখবেন ঠিকই সে বলতে পারবে। এভাবেই তাকে পরিচিত করে তুলুন এবং বুঝান যে বইয়ের সাথে প্রকৃতির কী সুন্দর মিল! এ সময়টায় তাকে সুন্দর সুন্দর ছড়া শুনান। দেখবেন খুব সহজেই সে ছড়াগুলো মুখস্থ করে ফেলেছে। এক্ষেত্রে বাংলা ছড়া শেখানোকেই আমি প্রাধান্য দেয়ার কথা বলব। ছড়াগুলোর সুন্দর অন্তমিল থাকা বাঞ্চনীয়। তবে আমি দেখেছি শিশুরা এ বয়সে অন্তমিল ছাড়া কবিতাও মুখস্থ করতে পারে। আমি আমার তিন বছরের ছেলেকে ‘তেত্রিশ বছর কাটল কেউ কথা রাখেনি’ এবং ‘কুমড়ো ফুলে ফুলে নুয়ে পড়েছে লতাটি’ কবিতাটাও মুখস্থ করিয়ে ফেলেছিলাম। সেটা ছিল এক্সপেরিমেন্ট। আপনারা তা করবেন না, বা করা উচিত না বলেই আমি মনে করি। তবে মজার বিষয় হল শিশুরা এই বয়সে যা শিখে তা তারা কিছুদিন পরেই ভুলে যায়। এর প্রধান কারণ সম্ভবত ঐ বয়সের মস্তিষ্কের কোষগুলো পরবর্তী নতুন কোষগুলোর সাথে কোন লিঙ্ক তৈরী করে না।

এরপরে শিশুটি বর্ণের সাথে পরিচয় হবে। এক্ষেত্রে একটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ তা হল আপনি কখনোই শিশুটিকে ‘অ থেকে ঔ’ কিংবা ‘ক থেকে চন্দ্রবিন্দু’ এভাবে মুখস্থ করাবেন না। আপনি তাকে অক্ষরগুলো চিনাতে সাহায্য করবেন। কেবল মুখস্থ করালে সে মুখস্থ ঠিকই করবে তবে তাতে অক্ষরগুলো চিনতে দেরী হবে। এক্ষেত্রে যে কাজটি আমি করেছিলাম এবং যথেষ্ট ফলদায়ক  হয়েছে তা হল- বইয়ের অক্ষরগুলো পত্রিকা বা অন্য কোন বই-এর মাঝে খুঁজে বের করানোর কৌশল। ধরুন, আপনি একটা পত্রিকা পড়ছেন সেখানে লাল অক্ষরে একটা বড় হেডিং দেয়া। আপনি প্রথমে শিশুটির বই খুলে হেডিংয়ে যে অক্ষরগুলো রয়েছে তার একটা বের করবেন, তারপর পত্রিকার হেডিংয়ে সে অক্ষরটি দেখিয়ে বলবেন, ‘দেখ বাবা, তোমার বইয়ের এই অক্ষরটি পত্রিকায়ও রয়েছে, এই দেখ ‘ক’ও রয়েছে।” এরপর দেখবেন শিশুটি নিজেই পত্রিকা খুঁজে খুঁজে অক্ষর বের করছে এবং আপনাকে দেখাচ্ছে, ‘বাবা, দেখ এই অ, মা দেখ, এই একটা ড’ ইত্যাদি। আপনাকে শুধু তার জিজ্ঞাসার উত্তর দিলেই চলবে। এভাবে কয়েকদিন পর দেখবেন আপনার সন্তান সবগুলো অক্ষরই চিনে ফেলেছে। এভাবেই যুক্তবর্ণও শিখে ফেলবে। যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে আপনাকে ধরিয়ে দিতে হবে যে কিভাবে যুক্তবর্ণ গঠিত হয়। দু’চারটা দেখানোর পর দেখবেন শিশুটি নিজেই যুক্তবর্ণ দেখে বলতে পারবে কোন যুক্তবর্ণ কী কী শব্দ দিয়ে গঠিত। শেখানোর মধ্যে আনন্দ মিশিয়ে দিলে শিশুরা নিজেরাই শিখে ফেলতে পারে, অভাবনীয় দ্রুততার সাথে।

বর্ণমালা ও যুক্তবর্ণের সাথে কার ও ফলাও এভাবে শিখিয়ে ফেলুন। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই লিখছি আপনাকে শিখাতে হবে না, আপনি শুধু একটু পন্থাটা শিখাবেন যা করার শিশুটিই করবে বলে আমি মনে করি। এবারে শব্দ তৈরীর কায়দাটা ধরিয়ে দিতে হবে। প্রথমে  কার, ফলাবিহীন শব্দ যেমন বল, জল ইত্যাদি এরপরে কার এবং পরবর্তীতে ফলা ও যুক্তবর্ণবিশিষ্ট শব্দ তৈরীর কায়দাটা ধরিয়ে দিতে হবে। এবারে ছড়ার বই এবং পরবর্তীতে গল্পের বই ধরিয়ে দিন। প্রথমে যে ছড়াগুলো আপনি পূর্বেই মুখে মুখে শিখিয়েছিলেন সেগুলো ধরিয়ে দিন। দেখবেন শিশুটি প্রথম একটি বা দুটি শব্দ বানান করে পড়ে ধরতে পেরেই বাকি লাইনগুলো মেমোরী থেকে গড়গড় করে বের করে দিবে। এবার নতুন ছড়ার বই দিন। দেখবেন দু’চার দিনেই বেশ কয়েকটা ছড়া সে মুখস্থ করে ফেলেছে। আপনি তাকে সাহায্য করুন। গল্পের বই পড়ার ক্ষেত্রে ছবিসহ বনের পশু-পাখির গল্প যেমন খরগোশ কচ্ছপের গল্প ইত্যাদি বেশ ভাল কাজ করে।

একই সময়ে আপনি শিশুটির মাঝে কিছু কিছু বৈজ্ঞানিক ব্যাখাও গল্পের আকারে দিতে শুরু করবেন, অবশ্যই মুখে এবং শিশুতোষ ভাষায়। আপনার আশেপাশের সহজ বিষয়গুলোরই বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়ে তাকে বিজ্ঞানে উৎসাহী করুন। ক’দিন পরে দেখবেন সে নিজেই আপনাকে জিজ্ঞেস করছে, ‘আকাশ নীল কেন? বৃষ্টি কেন হয়? মাটি কিভাবে তৈরী হয়? গাছের পাতা সবুজ কেন? বৈদ্যুতিক পাখা ঘোরে কিভাবে?’ ইত্যাদি। দেখবেন এভাবে আপনার সন্তানের হাজার ‘কেন’র উত্তর দিতে দিতে আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। কিন্তু আপনি সন্তানের কাছে কখনোই রাগ বা বিরক্তি প্রকাশ করবেন না। যদি তার প্রশ্নের উত্তর আপনার জানা না থাকে তাহলে তাকে বুঝিয়ে বলবেন এবং পরবর্তীতে জেনে দিবেন বলে জানাবেন, কখনোই কোন অপব্যাখ্যা দিবেন না। এক্ষেত্রে গুগল খুব ভাল, আপনার সকল প্রশ্নের উত্তরের জন্য তৈরী সে। সুতরাং গুগুলের সাহায্য নেন। বিরক্ত হলে তাকে বুঝিয়ে বলবেন। কখনোই কোন প্রশ্নের জন্য রাগ করবেন না।

এবারে তাকে গল্পের বই পড়তে দিন। গল্পের বইয়ের ক্ষেত্রে প্রথমেই মজাদার বই পড়তে দিন। ছড়ার বইয়ে শিশুদের আগ্রহ বেশিদিন থাকে না, গল্প পড়তে শিখলে সে আর ছড়ার ক্ষেত্রে তেমন আগ্রহ পাবে না। গল্প পড়তে গিয়ে শিশুটি মাঝে মাঝেই দু’একটা কঠিন শব্দের মুখোমুখি হবে। সবচেয়ে ভাল হয় যদি বইটি শিশুকে পড়তে দেয়ার আগে আপনি নিজেই একবার পড়ে নেন। বিভিন্ন পশুপাখির গল্পের বইয়ের সাথে সাথে কিছু বিজ্ঞান বিষয়ক গল্প পড়তে দিবেন। এক্ষেত্রে উপেন্দ্রকিশোরের প্রায় সকল লেখাই দেয়া যেতে পারে। সুকুমার রায়ের লেখাগুলো কিনে দিন। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বেশ কয়েকটি কিশোর কালেকশন রয়েছে। এছাড়াও বাজারে শিশুতোষ প্রচুর বই পাওয়া যায়। সন্তানের সাথে আপনিও একবার পড়ে নিন। দেখবেন খুবই ভাল লাগবে। আরেকটু বড় হলে পড়তে দিন আবদুল্লাহ আল মুতির বিজ্ঞান বিষয়ক কিশোর গ্রন্থগুলো, যা বাংলাভাষার অন্যতম সম্পদ। তবে সন্তানদের পাঠাভ্যাস গড়তে সুবিধে হবে যদি আপনার নিজেরও পাঠাভ্যাস থাকে। ছুটির দিনগুলোর দুপুরে কিংবা অন্য অলস সময়গুলোয় আপনি নিজেই যদি একটা বই নিয়ে পড়তে বসেন, দেখবেন আপনার সন্তানের মধ্যেও তা ধীরে ধীরে সংক্রমিত হচ্ছে।

এভাবে আপনার সন্তানের বয়স যখন ৬-৭ এ পৌঁছবে তখন দেখবেন আপনার সন্তান লিখিত যা কিছু পাচ্ছে তাই-ই পড়তে শুরু করছে। ৮-৯ এ পৌঁছে গেলে দেখবেন আপনার সন্তান এখন একজন নিয়মিত পাঠক। যা আমাদের দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে দেখা যায় আমাদের দেশের শিশুদের একটা বিরাট অংশ প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করতেই ঝরে যায়। প্রধান কারণ হলেও এর একমাত্র কারণ দারিদ্র নয়, অন্যতম প্রধান কারণ শিশুদের পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কোন উদ্বেগ গ্রহণ না করা। শিক্ষকরা শিশুদের পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কোন ভূমিকাই নেয় না। সরকারী ট্রেইনিং প্রোগাম থাকলেও শিক্ষকদের মাঝে তা বাস্তবায়নের কোন চেষ্টা দেখা যায় না। তাই অন্তত আপনারা যারা স্বচ্ছল তারা আপনাদের শিশুদেরকে সহজেই পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারেন।

বর্তমানে দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রদের মধ্যেও বই পড়–য়া ছাত্রের খুবই অভাব। সার্টিফিকেটধারী শিক্ষার হার বাড়লেও সুশিক্ষার হার হিসেব করতে হলে প্রথমেই একটা দশমিক দিয়ে শুরু করতে হবে। প্রমথ চৌধুরীর সেই বিখ্যাত লাইনটা মনে করিয়ে দিলাম আরেকবার-“সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।” বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন অত্যন্ত দুঃখের সাথে দেখেছি আমার অনেক বন্ধুরাই উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত তাদের সিলেবাসের বইয়ের বাইরে একটা গল্পও পড়েনি জীবনে। কখনও হতাশ হয়েছি, কখনও বন্ধুদের আক্রমনও করেছি। দু’একজনের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে পেরেছি কিন্তু বেশিরভাগ বন্ধুদের ক্ষেত্রেই তা ঘটেনি। তারা বই পড়ার চেয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মেয়েদের যৌবন দেখতেই আগ্রহ বোধ করত বেশি। কর্মজীবনে প্রবেশ করে তারা এখন নতুন করে আর একটা বইও পড়ে না। শিশুবেলা থেকে পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে এই অবস্থা হতো না, এটা নিশ্চিত করে বলা যায়।

আমাদের দেশের জন্য স্বশিক্ষিত লোকের খুবই দরকার। একুশ শতাব্দীর এই বিজ্ঞানের নব নব আবিষ্কারের যুগেও আমরা যেভাবে চোখ থেকেও অন্ধ আচরণ করছি তা থেকে মুক্তির জন্য পরবর্তী প্রজন্মের পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা খুবই জরুরী। আপনার সন্তানের পাঠাভ্যাস গড়ে তুলুন, আমাদের উত্তর প্রজন্মকে বইমুখী করুন, তাদেরকে বিজ্ঞানমনষ্ক করুন।

Advertisements

One comment

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s